প্ল্যাটফর্ম নিয়ে যা না জানলেই নয়
xe666 তৈরি করার সময় যে বিষয়টা সবচেয়ে বেশি মাথায় রাখা হয়েছিল সেটা হলো বাংলাদেশের সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা। দেশের বড় একটি অংশ ২G বা দুর্বল 3G নেটওয়ার্কে থাকেন — বিশেষত গ্রামাঞ্চলে। সেজন্যই xe666-এর পেজ লোড অত্যন্ত হালকা রাখা হয়েছে এবং ছবি অটো-কমপ্রেস করার ব্যবস্থা আছে।
ঢাকার কেউ হয়তো দ্রুত 4G-তে খেলছেন, সিলেটের কেউ মাঝারি নেটওয়ার্কে — দুজনের জন্য পারফরম্যান্স যাতে একরকম থাকে সেই লক্ষ্যে xe666 বাংলাদেশের কাছাকাছি CDN (কন্টেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক) সার্ভার ব্যবহার করে। এই কারণেই বেটিং পেজ লোড হতে সাধারণত ০.৮–১.২ সেকেন্ড সময় লাগে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা। xe666-এ দুই-স্তরীয় যাচাইকরণ (2FA) সক্রিয় করার সুবিধা আছে। মোবাইল নম্বরে OTP পাঠানো হয় প্রতিটি লগইনে — এটা অনেকের কাছে হয়তো একটু বেশি মনে হতে পারে, কিন্তু অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য এটা অপরিহার্য।
গেম লবিতে ঢুকলে একটু অভিভূত হওয়া স্বাভাবিক — এতগুলো গেম একসাথে। তবে ফিল্টার সিস্টেম এই সমস্যার সমাধান করে দেয়। "স্পোর্টস", "স্লট", "লাইভ", "কার্ড" — এই ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকে। "জনপ্রিয়" ফিল্টারে গেলে দেখবেন অন্য বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা এই মুহূর্তে কোন গেমগুলো সবচেয়ে বেশি খেলছেন।
xe666 সম্প্রতি একটি "কুইক বেট" ফিচার চালু করেছে। ক্রিকেট বা ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন একটি বাটনে ক্লিক করেই পূর্বনির্ধারিত পরিমাণে বাজি দেওয়া যায় — স্লিপ পূরণের ঝামেলা নেই। লাইভ বেটিংয়ে এই ফিচারটা সত্যিই সময় বাঁচায়।